Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label মজাদার. Show all posts
Showing posts with label মজাদার. Show all posts

Tuesday, July 26, 2011

 চায়ের নিলাম বাজার প্রথমবার ক্রেতাশূন্য

চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ও পুরোনো ‘চায়ের নিলাম বাজার’ আজ মঙ্গলবার ছিল ক্রেতাশূন্য। ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসা এ বাজারে প্রথমবারের মতো কোনো ক্রেতা পাওয়া যায়নি। সরকার নিলাম মূল্যের ওপর নতুন করে ৫ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর আরোপ করার প্রতিবাদে ব্যবসায়ীরা চা কেনা বন্ধ রাখেন। এতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়।
নিলাম বাজার সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার সারা দেশের চায়ের নিলাম হয় চট্টগ্রামে। প্রতি নিলামে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার চা বিক্রি হয়।
জানা গেছে, আগের নিয়মে ক্রেতাদের ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর এবং ২ শতাংশ পাইকারি মূল্য কর দিতে হতো। সে হিসেবে প্রতি নিলাম মূল্যে চা কেনার পর ক্রেতাদের ১৭ শতাংশ কর দিতে হয়। নতুন করে ৫ শতাংশ হারে অগ্রিম আয়কর আরোপের ফলে এ কর দাঁড়াবে ২২ শতাংশে। আগের নিয়মে ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকার চা বিক্রি হলে সরকার প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকার মতো রাজস্ব পেত। আজকে নিলাম বন্ধ থাকায় সরকার এ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হলো।
বাংলাদেশে চা বাগান আছে ১৬৪টি। এসব বাগান থেকে প্রতি বছর প্রায় ছয় কোটি কেজি চা উত্পাদন হয়। বাগান মালিকেরা তাঁদের নির্ধারিত প্রতিনিধির (ব্রোকার হাউস) মাধ্যমে নিলাম বাজারে চা বিক্রি করে থাকেন।
নিলাম বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, এভাবে নিলাম বাজারে ক্রেতা পাওয়া না গেলে প্রত্যক্ষভাবে চা বাগান মালিক এবং পরোক্ষভাবে দেশের চা শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বাংলাদেশ চা ব্যবসায়ী সমিতির সহসভাপতি মোহাম্মদ ইউছুফ নিলাম বাজারে কোনো চা বিক্রি না হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ব্রিটিশ আমল থেকেই চট্টগ্রামের নিলাম বাজারে সপ্তাহের প্রতি মঙ্গলবার চা বিক্রি হয়ে আসছে। সরকারের অতিরিক্ত কর আরোপের কারণে আজ নিলাম বাজারে চা কেনাবেচা হয়নি। প্রথম আলো

Monday, June 20, 2011

আপনি কি সফল হতে চান?


আপনি কি ছাপোষা জীবন যাপন করছেন? জীবনটা হোস্টেলের ডালের মতো পানসে লাগছে? কোনো চার্ম নেই। আজ সিঙ্গাপুর তো কাল কুয়ালালামপুর করতে পারছেন না। আজিমপুর টু মিরপুর করেই দিন কাটছে। দুপুরবেলা রুটি-ভাজি গিলতে কষ্ট হচ্ছে! বিকেলের বিলাসিতা মোড়ের দোকানের ডালপুরি? ওয়েস্টিনে ব্রেকফাস্ট তো সোনারগাঁওয়ে ডিনার হচ্ছে না? লাস ভেগাসে গিয়ে হাজার হাজার ডলার ওড়ানোর মুরোদ নেই? কিন্তু স্বপ্ন আছে? হাজার কোটি টাকার মালিক হতে চান? কিন্তু ব্যাংকে কোনো অ্যাকাউন্টই নেই?
আপনাকেই আমরা খুঁজছি। বছর ঘোরার আগেই এক শ কোটি টাকা। দুই বছরের মাথায় হাজার কোটি টাকার মালিক হতে পারবেন আপনি। বউয়ের গয়না বিক্রি করুন। কিছু টাকা নিয়ে আসুন। ঢাকায় একটা বাড়ি ভাড়া করতে হবে। লাখ দুয়েক টাকা তো বিনিয়োগ করতেই হবে। একেবারে কিছুই খাটাবেন না, তা কী করে হয়। মাথাটা তো খাটাতেই হবে, কিছু টাকাও। লাখ কয়েক টাকা বন্ধুর কাছ থেকে ধার নিন, এক মাসের মাথায় শোধ করে দিতে পারবেন। একটা অফিস নিয়েছেন? এবার একটা কাগজ নিন। এটাতে মানচিত্র আঁকুন। ইচ্ছেমতো আঁকুন। নাম দিন ‘পূর্বাচল চাঁদের দেশ প্রকল্প’। মানচিত্রটা কিসের? চারকোনা করে কতগুলো ঘর আঁকুন। সেক্টর এক। রাস্তা এক। তার দুধারে প্লট। তারপর রাস্তা দুই। তার দুধারে প্লট। তিন কাঠা। পাঁচ কাঠা। ইচ্ছেমতো আঁকুন। লেক আঁকুন। লেকভিউ প্লট। ১০ কাঠা। এক হাজারটা প্লট আঁকুন। দুই হাজার প্লট আঁকুন। এবার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিন। বর্ষা উপলক্ষে কদমবাহার ছাড়। কাঠাপ্রতি তিন লাখ টাকা ছাড়। বুকিং দিলেই রঙিন টেলিভিশন। এক লাখ টাকা বুকিং। তারপর মাসে মাসে কাঠাপ্রতি কুড়ি হাজার টাকা কিস্তি। পাঁচ বছর ধরে দেওয়া যাবে। হইহই কাণ্ড রইরই ব্যাপার।
এরপর ঢাকার বাইরে কোনো একটা ধানখেতের চাষির কাছ থেকে ধানখেতে সাইনবোর্ড লাগানোর অনুমতিটা কিনে নিন। চাষি মাসে মাসে এক হাজার টাকা করে পাবেন। এই হলো আপনার সাইট। তাতে সাইনবোর্ড লাগান ‘পূর্বাচল চাঁদের দেশ প্রকল্প’। বাইশ শতকের আবাসভূমি। জমি বিক্রি শুরু হয়ে গেল। টাকা আসতে শুরু করেছে? ১০০ জন বুকিং দিয়েছেন? ব্যস, পকেটে এক কোটি টাকা এসেছে। সামনের মাসে আবার এক কোটি টাকা আসবে। এবার বিজ্ঞাপনের মহড়া বাড়িয়ে দিন। প্রকল্প এলাকায় পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে এক বিঘা জমি কিনেও ফেলুন। ব্যস, আর কিছু না। দাগ দেওয়া প্লট বিক্রি করতে থাকুন। টাকা আর টাকা। টাকা মানে সম্মান। টাকা মানে নিরাপত্তা। এক হাজার প্লট বিক্রি হয়েছে? ৫০০ কোটি টাকা আপনার পকেটে। এবার আপনি কিছু প্লট ক্রেতাকে বুঝিয়ে দিন। হ্যাঁ, বিভিন্ন ঘাটে কিছু টাকাপয়সা তো আপনাকে খরচ করতেই হবে। ক্রেতারা যদি দল বেঁধে ঘেরাও করতে আসে? আসবে না। কত প্লটই তো বিক্রি হয়েছে। কত ক্রেতা বুঝে পেয়েছে। কিন্তু তার চেয়েও কত বেশিসংখ্যক ক্রেতা বুঝে পায়নি। তাই বলে কি প্লটের ব্যবসা থেমে আছে? সব কোম্পানি মিলে যত প্লট বিক্রি করেছে, তার মোট জমির পরিমাণ ৫৫ হাজার ১২৬ বর্গমাইলের বেশি না কম, এটা একটা প্রশ্ন বটে। তবে আমাদের প্রকল্পের নাম যেহেতু ‘পূর্বাচল চাঁদের দেশ প্রকল্প’, সেহেতু আমাদের সেই দুর্ভাবনা না করলেও চলবে। দেশে জমি না পেলে আমরা চাঁদের জমি বিক্রি করব।
এ ব্যবসায় কোনো লস নেই। আপনার হাতে যখন টাকা আসবে, তখন আইনের হাত আপনার কাছে লম্বা মনে হবে না। টাকা আপনাকে সব দেবে। দেবে মান-সম্মান-নিরাপত্তা। দেবে প্রভাব-প্রতিপত্তি। আপনি তখন ধরাকে সরা জ্ঞান করে সরার দই খাবেন। পৃথিবীটা কার বশ? অবশ্যই টাকার। পত্রিকা-টেলিভিশনে আপনার বিজ্ঞাপন বেরুচ্ছে, কেউ আপনার বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দ করবে না। নেতাদের আপনি চাঁদা দেবেন। তাঁরা আপনার প্রকল্পের নকশার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে ফিতা কাটবেন। আমার মতো কবি-সাহিত্যিকেরা আপনার মতো দেশসেবক-জনসেবক উদ্যোক্তাদের কীর্তি বন্দনা করে কবিতা লিখবে। কলাম লিখবে। আমরা বলব, আপনি কর্মসংস্থান করেছেন। আপনি এ দেশের বাসস্থান সমস্যার সমাধানে যে অবদান রাখছেন, তার কোনো তুলনা নেই। আপনি চাইলে আপনার নামে পদক প্রবর্তন করতে পারেন—‘আক্কেল আলী অনন্য বুদ্ধিজীবী পদক’। বছরে একবার বড় অনুষ্ঠান করে সেই পদক তুলে দিতে পারেন দেশের সবচেয়ে অগ্রগণ্য কোনো বুদ্ধিজীবীর হাতে। সবাই ধন্য ধন্য করবে।
আপনি এখন অনেক বড়লোক। আমার ধরাছোঁয়ার বাইরে। আমি আপনাকে পরামর্শ দিতেও এখন ভয় পাচ্ছি। আমার এই লেখার মাধ্যমে আমি যে বেয়াদবি করেছি, আপনি আশা করি তা নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন। সাফল্য এখন আপনার করতলে। আপনি সুখী হোন।
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।

কর্তা যখন অযোগ্য


যুক্তরাজ্যে কর্মরত অর্ধেকেরও বেশি কর্মীরা মনে করে, তারা যাদের বা যার অধীনে কাজ করেন, তারা সেই পদের জন্য মোটেই উপযুক্ত না। একটি নতুন গবেষণায় সম্প্রতি উঠে এসেছে এমনই একটি মজার তথ্য। যুক্তরাজ্যের দুই হাজার কর্মীর ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা যায়, ৫৫ শতাংশ কর্মী মনে করে, তাদের ম্যানেজার যে কাজটি করছে, সেটি ঠিকমত কিংবা সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাস নিয়ে করছে না। চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (সিএমআই)-এর রিপোর্টে আরও বলা হয়, নিয়ন্ত্রণ আর নেতৃত্বে উপযুক্ত ব্যক্তির অভাবের কারণে কর্মস্থলে কাজের সুন্দর পরিবেশ থাকতে পারছে না।
জরিপে অংশ নেওয়া প্রতি পাঁচজনের মাঝে দুজনের মতে, তাদের বসের কাজ এবং আচরণে হতাশার চিহ্ন দিনদিন বেড়েই চলেছে। তৃতীয়জনের মতে, তাদের বস কাজের জায়গার আনন্দটুকু নষ্ট করে দিয়েছে। প্রতি দশজনের একজন আবার স্বাস্থ্য খারাপ হবার জন্যও ম্যানেজারকেই দায়ী করেন! সবচেয়ে বড় সমস্যাটি হল, অধিকাংশ কর্মীই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য পায় না। দুই-তৃতীয়াংশ কর্মী জানান, তারা কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে বসের মতামত চেয়েও পান নাই কোন জবাব। এ প্রসঙ্গে সিএমআই-এর প্রধান নির্বাহী রুথ স্পেলম্যান বলেন, ‘এসব ফলাফল এটাই প্রকাশ করে যে, যুক্তরাজ্যের কর্মক্ষেত্রগুলোকে আরও গতিশীল করার জন্য সেখানকার ম্যানেজারদের উচিত নিজের দলের প্রয়োজন মেটানোর জন্য আরও বেশি চেষ্টা করা। যদি ম্যানেজার চান তার দল নিজের পুরো সামর্থ্য ঢেলে কাজ করবে, তাহলে তাকেও নিজের যোগ্যতা এবং আত্মবিশ্বাসের পরিচয় দিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একটি গতিশীল কাজের ক্ষেত্র মানেই উৎপাদন বৃদ্ধি, সেই সঙ্গে অনুপস্থিতি এবং কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রবণতা কমে যাওয়া।’
ফাহমিদা হক, প্রথম আলো

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More