Feedjit Live

This is default featured post 1 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 2 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 3 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 4 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

This is default featured post 5 title

Go to Blogger edit html and find these sentences.Now replace these sentences with your own descriptions.This theme is Bloggerized by Lasantha Bandara - Premiumbloggertemplates.com.

Showing posts with label শেয়ার বাজার. Show all posts
Showing posts with label শেয়ার বাজার. Show all posts

Thursday, August 11, 2011

ঘুরে দাঁড়াল বিশ্ব শেয়ারবাজার


বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সিউল স্টক এক্সচেঞ্জে একজন ব্রোকারের প্রতিক্রিয়া
বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় সিউল স্টক এক্সচেঞ্জে একজন ব্রোকারের প্রতিক্রিয়া
এপি
প্রথম ইতিবাচক সংবাদটা এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকে। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে তারা সুদের হার (ফেডারেল ফান্ড রেট) অন্তত ২০১৩ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত নিচু পর্যায়ে ধরে রাখবে।
সুদের হার নিচু পর্যায়ে রাখার মানে হলো, ফেডারেল রিজার্ভ খুব স্বল্প সুদে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেওয়া। বর্তমানে এই হার শূন্য থেকে দশমিক ২৫ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করছে। 
মঙ্গলবারের ঘোষণায় নিচু পর্যায়ে ধরে রাখা বলতে ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার উল্লিখিত সীমার বাইরে নিয়ে যাবে বলে বোঝাতে চেয়েছে। 
মঙ্গলবার যখন এই ঘোষণাটি আসে, তখন আটলান্টিকের এপারে ইউরোপ ও প্রশান্ত মহাসাগরের ওপারে এশিয়া ঘুমিয়ে পড়েছে। 
আর তাই ফেডারেল রিজার্ভের এই ঘোষণার তাৎক্ষণিক প্রভাবটা পড়েছে তাদেরই আর্থিক বাজারে বিশেষত ওয়ালস্ট্রিটে। মঙ্গলবার ওয়ালস্ট্রিটে ডাও জোনস সূচক প্রায় চার শতাংশ বা ৪২৯ পয়েন্ট বেড়ে দিন শেষ করেছে। ফলে ডাও জোনস আবার ১১ হাজার পয়েন্টের ওপরে উঠে যায়।
এর জের ধরে গতকাল বুধবার প্রথমে এশিয়া, তারপর ইউরোপের শেয়ারবাজার ঘুরে দাঁড়ায়। সূর্যোদয়ের দেশ জাপানের টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক নিক্কি এক দশমিক ১০ শতাংশ বেড়ে ৯ হাজার পয়েন্টের ওপরে গিয়ে শেষ হয়েছে। 
হংকং ও অস্ট্রেলিয়ার প্রধান বাজারগুলো গড়ে সোয়া দুই শতাংশের বেশি হারে বেড়েছে। এ ছাড়া সাংহাই, সিউল, জাকার্তা ও মুম্বাই ঊর্ধ্বমুখী ধারা নিয়ে দিন শেষ করেছে। 
এশিয়ায় যখন মধ্য দুপুর, তখন ইউরোপের বাজার দিনের যাত্রা শুরুর প্রস্তুতি নিয়েছে একটা ইতিবাচক সংবাদ সঙ্গী করে। আর তাই ফ্রাঙ্কফুর্ট স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক বাজারদর বেড়েছে প্রায় আড়াই শতাংশ। পাশাপাশি লন্ডনের এফটিএসই-১০০ সূচক প্রায় দেড় শতাংশ আর প্যারিসের ক্যাক সূচক সোয়া এক শতাংশ বেড়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, সুদের হারে কোনো পরিবর্তন না আনার ঘোষণার মধ্য দিযে পুঁজিবাজারে এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে যে এখান থেকে তহবিল অন্যত্র স্থানান্তর করে খুব একটা লাভ হবে না। তবে বেশির ভাগ বিশ্লেষকই বলছেন যে এটা নেহাতই খণ্ডিত ধারণা। কেননা, সুদের হার নিম্নতম পর্যায়ে অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণার মধ্য দিয়ে আমেরিকা স্বীকার করে নিল যে তাদের অর্থনীতির মন্দাদশা কার্যত অব্যাহত রয়েছে। দেশটির আবাসন খাতে স্থবিরতা চলছে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির হারও খুব শ্লথ আর মানুষের খরচও কমেছে।
বরং গত কয়েক দিনে অব্যাহত দরপতনের পর বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর একটা প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছিল। ফেডারেল রিজার্ভের ঘোষণা সেই প্রয়োজনীয়তাকে সমর্থন দিয়ে সাময়িক স্বস্তি এনেছে। 
অবশ্য গতকালই খবর আসে যে জুলাই মাসে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত রেকর্ড পরিমাণ বেড়ে তিন হাজার ১৫০ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে। জুন মাসে এই উদ্বৃত্ত ছিল দুই হাজার ২৩০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এক মাসে চীনের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে ৪১ শতাংশেরও বেশি।
এর মধ্য দিয়ে এ রকম একটা আভাসও মিলল যে বিশ্ব অর্থনীতি যতটা নাজুক হয়ে গেছে বলে শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, বাস্তবে ততটা নাজুক হয়নি। 
তবে উচ্চ বাণিজ্য উদ্বৃত্ত চীনা মুদ্রা ইউয়ানের দর ঊর্ধ্বমুখী পুনর্মূল্যায়নের চাপ তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। [সূত্র: বিবিসি ও এফটি]

Monday, August 8, 2011

 ‘বিক্ষোভকারীরা ফাটকাবাজ’


শেয়ারবাজারে বিক্ষোভকারীদের ‘ফাটকাবাজ’ বলে অভিহিত করলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি তাঁদের বাজার থেকে চলে যেতেও বলেছেন। 
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি গতকাল (শনিবার) বলেছি এবং আজও বলছি, প্রকৃত বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন না। যারা বিক্ষোভ করছে, তারা বিনিয়োগকারীই না। তারা এখানে ফাটকাবাজি করতে এসেছে। কেন তারা আশা করছে যে প্রতিদিন শেয়ারের দাম বাড়বে? এরা বাজার থেকে বেরিয়ে গেলেই ভালো।’
এই বক্তব্যের পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের এই সময়ে তাঁদের শেয়ার বিক্রি না করার পরামর্শ দিয়েছেন। 
গতকাল রোববার সচিবালয়ে বাংলাদেশ চা-সংসদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
এই বৈঠকের আগে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারীর সঙ্গে বাজার নিয়ে আলাদা একটি বৈঠক করেন অর্থমন্ত্রী। 
বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে, জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বৈঠকটি বিশেষ কোনো কারণে ডাকা হয়নি। কয়দিন দেশের বাইরে ছিলাম। যাওয়ার আগে বলে গিয়েছিলাম যে বুকবিল্ডিং পদ্ধতিটি যেন চূড়ান্ত করা হয়। সেটার কী হলো, আর হঠাৎ কেন শেয়ারের দামই বা পড়ে গেল—এসব খোঁজখবর নিতে এসইসির চেয়ারম্যানকে ডেকেছি।’
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে বলছে, আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগের ঘটনায় বাজারে প্রভাব পড়ছে। শুনেছি, আজও বিক্ষোভ হয়েছে।’ এ কথার বলার পরই তিনি বিক্ষোভকারীদের ফাটকাবাজ আখ্যা দিয়ে চলে যেতে বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান এসইসি একটি সম্পূর্ণ নতুন কমিশন। তার নিজের কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সে অনুযায়ী কাজ করছে, কিছু আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে। 
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্ব পুঁজিবাজারের সঙ্গে দেশীয় বাজারের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে আমাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সম্পর্ক রয়েছে।’ 
প্রকৃত বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে আপনি কী বলবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘হ্যাঁ, তাঁরা শেয়ার ধরে রাখবেন। হঠাৎ করে দাম কমে গেলেই বিক্রি করে দেবেন না।’ গত কয়েক দিনের ধারাবাহিক পতন সম্পর্কে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সমস্যা কী? এখনো তো বাজারের সূচক ছয় হাজারেরও বেশি।’

Sunday, August 7, 2011

শেয়ারবাজারে দরপতনে বিক্ষোভ, অর্থমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি


শেয়ারবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে আজ রোববারও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন। দুপুর ১২টার দিকে সূচক ১৬১ পয়েন্ট কমে গেলে তাঁরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করতে থাকেন। বেলা দুইটার দিকে বিক্ষোভ শেষ হয়। এ সময় শেয়ারবাজারে দরপতনের জন্য অর্থমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন বিনিয়োগকারীরা।
বাংলাদেশ পুঁজিবাজার বিনিয়োগকারী ঐক্য পরিষদের ব্যানারে তাঁরা এ বিক্ষোভ করেন। 
দেশের শেয়ারবাজারে দরপতনের ধারা অব্যাহত ছিল। আজ ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ১৩৯.৭৪ পয়েন্ট কমে ৬,১২০.১৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। 
আজ হাতবদল হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে দাম বেড়েছে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের, কমেছে ২২০টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। আজ ডিএসইতে ৫৬০ কোটি টাকা লেনদেন হয়।
ডিএসইতে লেনদেনের শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে বেক্সিমকো, এনবিএল, তিতাস গ্যাস, এমআই সিমেন্ট, কেয়া 

Tuesday, July 26, 2011

সূচক কমলেও ৮৬২ কোটি টাকার লেনদেন

দ্বিতীয় ঘণ্টার লেনদেন শেষে আজ মঙ্গলবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৮৬২ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। তবে সূচক কিছুটা কমলেও বেড়েছে শতাধিক শেয়ারের দাম।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে আজ ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয়। বেলা ১১টা পাঁচ মিনিটে সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে যায়। প্রথম ঘণ্টা শেষে ডিএসইতে সূচক কিছুটা বাড়লেও বেলা একটায় সূচক ১৪.৭৪ পয়েন্ট কমে ৬,৬৮১.৬৪ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
এ সময় লেনদেন হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১১৮টির, কমেছে ১২১টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
এখন পর্যন্ত ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০ প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে তিতাস গ্যাস, আরএন স্পিনিং, এনবিএল, গ্রামীণফোন, কেয়া কসমেটিকস, সামিট পাওয়ার, এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস, এমআই সিমেন্ট, ওয়ান ব্যাংক ও এবি ব্যাংক।
অন্যদিকে বেলা একটায় চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সিএসসিএক্স সূচক ৩৬.৪৯ পয়েন্ট বেড়ে ১২,৩২৬.৩৬ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ সময় লেনদেন হওয়া ১৮৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৭১টির, কমেছে ১১২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৮৯ কোটি টাকার।প্রথম আলো

Monday, July 25, 2011

 ডিএসইতে প্রথম ঘণ্টায় ৬০৭ কোটি টাকার লেনদেন

প্রথম ঘণ্টা শেষে আজ সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ৬০৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। এ সময়ে সূচক বেড়েছে, বেড়েছে লেনদেন হওয়া অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। প্রথম আলো
আজ দুপুর ১২টার দিকে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২৭.৯৪ পয়েন্ট বেড়ে ৬৭৩৮.৪৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ সময় লেনদেন হওয়া ২৪৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১৫৫টির, কমেছে ৭৯টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
ডিএসইতে লেনদেনের ছয় মিনিটের দিকে সূচক ৪৭ পয়েন্ট বাড়ে। এরপর সূচক বাড়ার হার কমতে থাকে। ২২ মিনিটের দিকে সূচক বাড়ে ১৮ পয়েন্ট। তবে প্রথম ঘণ্টায় সূচক গতকালের চেয়ে কমেনি।
এ সময় লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—আরএন স্পিনিং, পিএলএফএসএল, বেক্সিমকো, বেক্সটেক্স, মালেক স্পিনিং, তিতাস গ্যাস, ম্যাকসন স্পিনিং, গ্রামীণফোন, আফতাব অটো ও কেয়া কসমেটিকস।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সিএসইতে সিএসসিএক্স সূচক ২১.১০ পয়েন্ট বেড়ে ১২,৩৫৯.৫৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ১৬৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ৮৫টির, কমেছে ৭২টির আর অপরিবর্তিত রয়েছে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। মোট লেনদেন হয়েছে ৫৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।

 ডিএসইতে লেনদেন বেড়েই চলছে

আগের দিনগুলোর ধারাবাহিকতায় গতকাল রোববারও দেশের শেয়ারবাজারের মূল্যসূচক বেড়েছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ব্যাংকিং খাতের শেয়ার।
অন্যান্য খাতের বেশির ভাগ শেয়ারের দর কমলেও ব্যাংকিং খাতের চাহিদা ছিল চোখে পড়ার মতো। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) তালিকাভুক্ত এ খাতের ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৫টির দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে লেনদেনের ওপরে। ডিএসইতে গতকাল এক হাজার ৯৫৭ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত ডিসেম্বর-জানুয়ারি সময়কালে পুঁজিবাজারে ভয়াবহ ধসের পর এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ। এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর এক হাজার ৯৬৯ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছিল।
এ ব্যাপারে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, ধসের পর বেশ কিছুদিন ধরে বাজারে প্রবল তারল্য-সংকট বিরাজ করছিল। ইতিমধ্যে এই সংকট অনেকাংশে কমেছে। যার ফলে বিনিয়োগকারীদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ায় লেনদেন বেড়েছে। এ ছাড়া শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগও লেনদেন বাড়ার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন তিনি।
শাকিল রিজভী বলেন, বাজার বাড়তে থাকলে সবাই আসে। আবার কমতে থাকলে সবাই হাতে থাকা শেয়ার বিক্রি করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বিষয়টি উল্টো হওয়া উচিত ছিল। তাহলে বাজারও স্বাভাবিক আচরণ করত।
ডিএসইর সভাপতি মনে করেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন শেয়ার সরবরাহ দরকার। আর এ জন্য ডিএসইর পক্ষ থেকে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
গতকাল দিন শেষে ডিএসইর সূচক দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৭১০ দশমিক ৫৩ পয়েন্ট। ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ২৬৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১২৮টির, কমেছে ১২৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক ৭২ পয়েন্ট বেড়ে ১৯ হাজার ১৮৭ পয়েন্ট হয়েছে। সিএসইতে হাতবদল হয়েছে ২০৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। এর মধ্যে বেড়েছে ১০৩টির, কমেছে ৯৪টির আর অপরিবর্তিত ছিল নয়টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে গতকাল ১৯৮ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে চার কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে গতকাল লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় ছিল গ্রামীণফোন, বেক্সিমকো, আফতাব অটোমোবাইলস, আরএন স্পিনিং, সাউথইস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ার, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, স্কয়ার ফার্মা ও এমজেএল বিডি। প্রথম আলো

Monday, July 4, 2011

আড়াই মাস পর হাজার কোটি টাকা লেনদেন

ঢাকা, জুলাই ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- আড়াই মাস পর হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে ঢাকার পুঁজিবাজারে। সেই সঙ্গে বেড়েছে অধিকাংশ শেয়ারের দাম।

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ এ অর্থবছরে রাখার সরকারি ঘোষণা আসার পরদিনই চাঙা হয়ে ওঠে ঢাকার পুঁজিবাজার। বুধবার লেনদেনের পরিমাণ ছিলো ৯৩৭ কোটি টাকা, বৃহস্পতিবার ছিলো ৯৫৪ কোটি টাকা।

সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেন আগের দুই দিনের অঙ্ক ছাড়িয়ে যায়। এ দিন লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ হাজার ১৩৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সা¤প্রতিক সময়ে এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিলো গত ১১ এপ্রিল ১ হাজার ২২৪ কোটি টাকা।

হরতাল হলেও নির্দিষ্ট সংখ্যক ব্রোকারেস হাউস লেনদেনে অংশ নিলেই সচল হয় ডিএসই। এ কারণেই রোববার নির্ধারিত সময় সকাল ১১টায়ই লেনদেন শুরু হয়।

সাধারণ সূচক ৪০ পয়েন্ট বেড়ে ৬১৫৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। লেনদেন হওয়া ২০৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৪৯টির। ৩টির দাম অপরিবর্তিত ছিলো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমআই/১৫১৫ ঘ.

পুঁজিবাজার মন্দা

ঢাকা, জুলাই ০৪ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- হাজার কোটি টাকা লেনদেনের পরদিন সূচক পড়লো ঢাকার পুঁজিবাজারে। সেই সঙ্গে কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারের দাম ও লেনদেন।

সপ্তাহের দ্বিতীয় দিন সোমবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সকাল থেকে সূচকে ওঠানামা দেখা যায়। তবে দিন শেষে সাধারণ সূচক যেখানে অবস্থান করছিলো, তা আগের দিনের চেয়ে ৩৩ পয়েন্ট কম।

সপ্তাহের প্রথম দিন ৩৩ পয়েন্ট যোগ হয়ে সাধারণ সূচক দাঁড়িয়েছিলো ৬১৫৭ পয়েন্টে।

এদিন ডিএসইতে শেয়ার হাতবদল হয়েছে ৮৮১ কোটি ৭৭ লাখ টাকার। আগের দিন লেনদেনের পরিমাণ ছিলো ১ হাজার ১৩৯ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সা¤প্রতিক সময়ে এর চেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছিলো গত ১১ এপ্রিল ১ হাজার ২২৪ কোটি টাকা।

লেনদেন হওয়া ৬৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ১৮৫টির। ৭টির দাম অপরিবর্তিত ছিলো।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/এমআই/এএল/১৫৫০ ঘ.

Thursday, June 30, 2011

বাজেটে পুঁজিবাজার-সম্পর্কিত পদক্ষেপ শিল্পোন্নয়নে গতি বাড়াবে


undefined
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সভাপতি শাকিল রিজভী বলেছেন, ২০১১-১২ অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার-সম্পর্কিত বিভিন্ন পদক্ষেপ দেশের শিল্পোন্নয়নে গতি বৃদ্ধি করবে। একই সঙ্গে রপ্তানি-বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি সাধিত হবে এবং ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন সহজতর হবে।
আজ বৃহস্পতিবার ডিএসইর কার্যালয়ে আয়োজিত বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় শাকিল রিজভী এ কথা বলেন।
বাজেটে পুঁজিবাজার সম্পর্কে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান শাকিল রিজভী।
বাজেটে বন্ডের পাশাপাশি শেয়ারবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার ব্যাপারে শাকিল রিজভী বলেন, এতে বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। তবে বাজার যাতে আবার অতিমূল্যায়িত না হয়, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা হবে বলে জানান তিনি। একই সঙ্গে চাহিদার পাশাপাশি শেয়ার সরবরাহ যাতে বাড়ে, সে বিষয়টিও নজরে রাখা হবে বলে শাকিল রিজভী জানান।
লিখিত বক্তব্যে শাকিল রিজভী বলেন, ‘এ মুহূর্তে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন শেয়ার ছাড়ার মাধ্যমে পুঁজিবাজার আরও শক্তিশালী করা। তাই খুব দ্রুততার সঙ্গে সরকারের হাতে থাকা বিভিন্ন লাভজনক প্রতিষ্ঠানগুলোর শেয়ারসহ দেশি-বিদেশি বড় বড় কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে অফলোড করে চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের সমন্বয় করা।’
এক প্রশ্নের জবাবে ডিএসইর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আহসানুল ইসলাম বলেন, পুঁজিবাজার অত্যন্ত স্পর্শকাতর জায়গা। সুতরাং এটা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলকে রাজনীতি না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ী আমাদের আসল পরিচয়। পুঁজিবাজার রাজনীতির উপাদান না হয়ে অর্থনৈতিক ক্ষেত্র হিসেবে যাতে কাজ করতে পারে, সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। তাই এটাকে যেন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করা হয়।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে ডিএসইর পরিচালক আহমেদ রশিদ লালী, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সতিপতী মৈত্র, প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা (সিওও) মো. জহুরুল আলম উপস্থিত ছিলে


প্রথম আলো

Monday, June 27, 2011

পুঁজিবাজারে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের পক্ষে ডিএসই ও সিএসই



পুঁজিবাজারের বর্তমান তারল্যসংকট দূর করতে বন্ডের পাশাপাশি অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের পক্ষে আবারও মত দিয়েছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতিরা। আজ সোমবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তাঁরা এই মত দেন।
রিপোর্টার্স ইউনিটির সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী, সিএসইর সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ, ডিআরইউর সভাপতি মোস্তাক হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
পুঁজিবাজারের বর্তমান তারল্যসংকটের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে ডিএসইর সভাপতি শাকিল রিজভী বলেন, ‘বাজারে বর্তমানে তারল্যসংকট রয়েছে। এ অবস্থা থেকে কাটিয়ে উঠতে আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বন্ডের পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের কথা শুনেছেন।’
শাকিল রিজভী বলেন, অপ্রদর্শিত অর্থ বন্ডে বিনিয়োগ করলে ১০ শতাংশ হারে কর দিতে হবে এটা ঠিক। তবে প্রতিবছর বিনিয়োগকারীকে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ মুনাফা ফেরত দিতে হবে। আর শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করলে সরকারকে কোনো মুনাফা ফেরত দিতে হবে না।
সিএসইর সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদও অপ্রদর্শিত অর্থ পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের পক্ষে মত দেন। তবে বাজার যাতে আবার অতি মূল্যায়িত না হয়, সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ বাড়ানোর পক্ষে মত দেন তিনি।
২০২১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার কী ভূমিকা রাখতে পারে? এ প্রশ্নের উত্তরে ডিএসইর সভাপতি বলেন, ‘আমরা যদি সবাই একসঙ্গে কাজ করি এবং সরকার যদি শেয়ারবাজারকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারে, তবে ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ক্ষেত্রে পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।’
সিএসইর সভাপতি ফখর উদ্দিন আলী আহমেদ এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে প্রথমেই আমাদের একটি লক্ষ্য স্থির করতে হবে। সরকারের একটি নির্দিষ্ট পলিসি থাকতে হবে, যা কমপক্ষে পাঁচ মেয়াদি হতে হবে। এই সময়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন যাতে না হয়, সে বিষয়টি খেয়াল করতে হবে।’
আওয়ামী লীগের আমলে পুঁজিবাজারে ধস নামে কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে শাকিল রিজভী বলেন, ‘শুধু বাংলাদেশে নয়, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের পুঁজিবাজারেও এ ঘটনা ঘটে। সেখানে তো আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নেই।’ তিনি বলেন, উত্থানপতন শেয়ারবাজারের ধর্ম। বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়তে বাড়তে বাজার অতি মূল্যায়িত হয় এবং একপর্যায়ে এ ধরনের ধসের সৃষ্টি হয়। এটা আওয়ামী লীগ বা বিএনপির দোষ নয়। এ ছাড়া দুই স্টক এক্সচেঞ্জই প্রভাবশালী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চাপমুক্ত বলে জানান দুই স্টক এক্সচেঞ্জের সভাপতি।
সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে ডিএসই ও সিএসই সভাপতিরা বলেন, পুঁজিবাজারে কারসাজির অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের অবশ্যই বিচার হওয়া উচিত। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে দোষী বলা ঠিক হবে না। এ ব্যাপারে বাজারে ভীতি ছড়ানো ঠিক হবে না বলে মন্তব্য করেন তাঁরা। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের আস্থা যাতে নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখার পরামর্শ দেন তাঁরা।

Monday, June 20, 2011

পুঁজিবাজার শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী


দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে চলছে। আজ মঙ্গলবার প্রথম আধঘণ্টা শেষে ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ১১৪ পয়েন্ট। সঙ্গে লেনদেন হওয়া প্রায় সবগুলো প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে।
আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডিএসইতে সাধারণ মূল্যসূচক ১১৪.৯১ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৮১০.৬৯ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এ সময়ে লেনদেন হওয়া ২০৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ২০৪টির, কমেছে দুটির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে দুটি প্রতিষ্ঠানের দাম এবং মোট ৯০ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে।
লেনদেনের ১০ মিনিটের দিকে সূচক ১২১ পয়েন্ট বেড়ে যায়। এরপর সূচক বাড়ার হার কিছুটা কমে। ১৮ মিনিটের দিকে সূচক বাড়ে ১০১ পয়েন্ট। ২০ মিনিটের পর সূচক আবার বাড়তে থাকে। লেনদেনের প্রথম আধঘণ্টা শেষে এ ধারা অব্যাহত রয়েছে।
এ সময়ে লেনদেন হওয়া শীর্ষ ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—ইউসিবিএল, বেক্সিমকো, লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, আফতাব অটো, পূবালী ব্যাংক, এম আই সিমেন্ট, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ইবিএল, এবি ব্যাংক ও পিএলএফএসএল।

দরপতনে ডিএসইর সামনে বিনিয়োগকারীদের বিক্ষোভ


undefined
পুঁজিবাজারে অব্যাহত দরপতনের প্রতিবাদে আজ সোমবার বেলা সোয়া দুইটার দিকে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সামনে বিনিয়োগকারীরা বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা অর্থমন্ত্রী, ডিএসই সভাপতি ও এসইসির চেয়ারম্যানের পদত্যাগ দাবি করে তাঁদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন।
ক্ষুব্ধ বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজারে দরপতনের প্রতিবাদ জানান ও এতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে নিয়ে আসার দাবি জানান।
বেলা আড়াইটার দিকে এসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক এম খায়রুল হোসেন ডিএসই পরিদর্শনে আসেন।
আজ ডিএসইতে দিনের লেনদেন শেষে সাধারণ মূল্যসূচক ৯.০৫ পয়েন্ট বেড়ে ৫,৬৯৫.৭৭ পয়েন্টে দাঁড়ায়। আজ লেনদেন হওয়া ২৫৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১৪৫টির, কমেছে ৯৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৭টি প্রতিষ্ঠানের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জে মোট ৩৪১ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত দিনের চেয়ে ১৩ কোটি টাকা কম।
আজ ডিএসইতে লেনদেনের প্রথম ঘণ্টা শেষে দরপতন শুরু হয়। দরপতনের এ ধারা চলে বেলা আড়াইটার পর্যন্ত। তবে লেনদেনের শেষ দিকে সূচক গত দিনের চেয়ে কিছুটা বেড়ে যায়।
আজ ডিএসইতে লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে—লঙ্কা বাংলা ফাইন্যান্স, ইউসিবিএল, এনবিএল, বেক্সিমকো, এম আই সিমেন্ট, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, পিএলএফএসএল, সিটি ব্যাংক, বিএসআরএম স্টিল ও পূবালী ব্যাংক।

Sunday, June 19, 2011

সপ্তাহের শুরুতে পুঁজিবাজারে দরপতন


undefined
গত সপ্তাহের শেষ তিন দিনের ন্যায় আজ রোববার সপ্তাহের প্রথম দিন পুঁজিবাজারে দরপতন হয়েছে। আজ দুই স্টক এক্সচেঞ্জে বেশির ভাগ শেয়ারের দাম কমায় কমেছে সাধারণ সূচক। একই সঙ্গে কমেছে লেনদেনও। এ নিয়ে টানা চার দিন দরপতন অব্যাহত রয়েছে পুঁজিবাজারে।
ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ দিনের শুরুতে সূচকের নিম্নমুখী প্রবণতার মধ্য দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। লেনদেনের প্রথম ১০ মিনিটে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ২০ পয়েন্ট কমে যায়। ২০ মিনিটের মাথায় সূচক কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে আগের দিনের চেয়ে ৬ পয়েন্ট বাড়ে। এর পর থেকে সূচক নিম্নমুখী হতে শুরু করে, যা সারা দিনই অব্যাহত থাকে। দিন শেষে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক ৮৯.৪৫ পয়েন্ট কমে ৫৬৮৬.৭২ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
ডিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৫৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে মাত্র ২৫টির, কমেছে ২২০টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে আটটি প্রতিষ্ঠানের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আজ ৩৫৪ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা গত বৃহস্পতিবারের চেয়ে ১৩১ কোটি টাকা কম।
ডিএসইতে আজ লেনদেনে শীর্ষে থাকা ১০টি প্রতিষ্ঠানের তালিকায় রয়েছে এনবিএল, ইউসিবিএল, লঙ্কা-বাংলা ফাইন্যান্স, বেক্সিমকো, এমআই সিমেন্ট, সিটি ব্যাংক, ইউনাইটেড এয়ারওয়েজ, ওয়ান ব্যাংক, বিএসআরএম স্টিল ও আফতাব অটো।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক আজ ২১০ পয়েন্ট কমে ১৫৮২৩.৩৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সিএসইতে হাতবদল হওয়া ১৮৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বেড়েছে ১৫টির, কমেছে ১৬৩টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে সাতটি প্রতিষ্ঠানের দাম। স্টক এক্সচেঞ্জটিতে আজ ৫৯ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে তিন কোটি টাকা কম।
প্রথম আলো..

তিন টাকার শেয়ার তিন বছরে ১১৯ টাকা!

২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে কোম্পানিটির প্রতিটি শেয়ারের সর্বনিম্ন দর ছিল তিন টাকা ৭০ পয়সা। ২০১০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সেই দাম বাড়তে বাড়তে পৌঁছায় সর্বোচ্চ ১১৯ টাকা ১০ পয়সায়।
অর্থাৎ তিন বছরে প্রতিটি শেয়ারের দাম বাড়ে প্রায় ৩২ গুণ। এ সময়ে কোম্পানিটির বাজার মূলধন মাত্র সাত কোটি পাঁচ লাখ ৮০ হাজার টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়ায় ২৮৬ কোটি ৮৬ লাখ টাকা।
নানা কারসাজির মাধ্যমে দাম বাড়ার এ চমক দেখায় ২০০২ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মৎস্য খাতের কোম্পানি বিচ হ্যাচারি লিমিটেড।
কখনো কোম্পানির ব্যবসা সম্প্রসারণের মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে উদ্যোক্তারা নিজেই, কখনো ঋণসুবিধা-বহির্ভূত এ কোম্পানির শেয়ার কিনতে গ্রাহকদের মোটা অঙ্কের ঋণসুবিধা দিয়ে ঋণদাতা কিছু প্রতিষ্ঠান, আবার কখনো একদল বিনিয়োগকারী সংঘবদ্ধ হয়ে কারসাজির মাধ্যমে শেয়ারের দাম বাড়াতে ভূমিকা রেখেছে। আর এ সুযোগে কোম্পানির সংরক্ষিত (সাসপেন্স) হিসাব থেকে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ২১ হাজার শেয়ার গোপনে বিক্রি করে প্রায় ১৩ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন কোম্পানির দুই কর্মকর্তা।
নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) নির্দেশে কোম্পানির লেনদেনের তথ্যানুসন্ধান করে কারসাজির এসব ঘটনা উদ্ঘাটন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। কিন্তু এসইসির সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সদস্যের কারণে সে সময় এ ব্যাপারে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে শেয়ারবাজার ধসের কারণ অনুসন্ধানে সরকারের উদ্যোগে কমিটি গঠনের পর নড়েচড়ে বসে এসইসি। এ সময় অভিযুক্ত কয়েকটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীকে শুনানিতে ডাকা হয়। তবে এসইসির পরিবর্তন ও পুনর্গঠন-জটিলতায় বিষয়টির তেমন অগ্রগতি দেখা যায়নি। পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটিও কোম্পানিটির শেয়ারের দর বাড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে এসইসির চেয়ারম্যান এম খায়রুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘তদন্ত প্রতিবেদনটি আমার কাছে এসেছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আমি এটি সংশ্লিষ্ট বিভাগে পাঠিয়েছি।’
২০১১ সালের ৩ জানুয়ারি কোম্পানি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানায়, তারা এক কোটি ১২ লাখ টাকা ব্যয়ে কক্সবাজার পৌর এলাকায় এক দশমিক ২৭ একর জমি কিনেছে। নিবন্ধনসহ যার ব্যয় দেখানো হয় এক কোটি ১৬ লাখ টাকা। এর কিছু দিন আগে কোম্পানির একাধিক উদ্যোক্তা বিপুল পরিমাণ শেয়ার লেনদেন করেন। এ তথ্য উল্লেখ করে পুঁজিবাজার তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে কোম্পানিটির শেয়ারের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে সুবিধাভোগী বা ইনসাইডার লেনদেনের সন্দেহ করা হয়েছে। এ ছাড়া কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে তদন্ত প্রতিবেদনে।
ডিএসইর তদন্ত প্রতিবেদন: ডিএসইর প্রতিবেদনে ঋণসুবিধাবহির্ভূত থাকা সত্ত্বেও বিচ হ্যাচারির শেয়ার কিনতে গ্রাহকদের ঋণ ও আর্থিক সমন্বয় (নেটিং) সুবিধা দিয়েছে এমন পাঁচটি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো: ইন্টারন্যাশনাল লিজিং সিকিউরিটিজ, পিএফআই সিকিউরিটিজ, ব্যাংক এশিয়া, ন্যাশনাল ব্যাংক ও ঢাকা ব্যাংক। সব প্রতিষ্ঠানই পরে ডিএসইর কাছে লিখিতভাবে দুঃখ প্রকাশ ও এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতে আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেছে। এসইসির শুনানিতেও তারা একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছে বলে জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বিচ হ্যাচারির শেয়ারের অস্বাভাবিক লেনদেনের সঙ্গে ১৯ জন বিনিয়োগকারীর জড়িত থাকার কথা উল্লেখ রয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে কখনো এককভাবে, আবার কখনো সংঘবদ্ধভাবে এসব বিনিয়োগকারী কোম্পানিটির শেয়ার নিয়ে কারসাজির ঘটনা ঘটান। এর বাইরে আরও আটজন বিনিয়োগকারীর নিয়ম ভেঙে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেনে নেটিং ও ঋণসুবিধা নেওয়ার তথ্য-প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। এ তালিকায় যাঁদের নাম রয়েছে তাঁরা হলেন: শহীদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইমরান, এস কে মনসুর আলী, হালিমা খাতুন, নোমান ইসলাম, আবু আহমেদ, এস এম জিল্লুর রহমান ও জিয়াউদ্দিন আদিল।
সংরক্ষিত হিসাবের শেয়ার আত্মসাৎ: ডিএসইর তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, কোম্পানির সংরক্ষিত হিসাবে থাকা শেয়ারধারীদের প্রাপ্য ২১ হাজার বোনাস শেয়ার আত্মসাৎ করেছেন কোম্পানি সচিব (তৎকালীন) নূর ইসলাম ও শেয়ার বিভাগের কর্মকর্তা আবদুল আলীম। এর মধ্যে সাড়ে আট লাখ টাকা হাতিয়ে নেন কোম্পানি সচিব আর চার লাখ টাকা নেন শেয়ার বিভাগের কর্মকর্তা। দুজনই বিষয়টি লিখিতভাবে ডিএসইর তদন্ত দলের কাছে স্বীকার করেছেন।
তালিকাভুক্ত কোম্পানির সাসপেন্স হিসেবে সাধারণত বিভিন্ন কারণে অবণ্টিত শেয়ার জমা থাকে। পরে দাবিদার খুঁজে পাওয়া গেলে ওই সব শেয়ার বণ্টন করা হয়। প্রকৃত মালিককে না জানিয়ে কোম্পানির হিসাবে সংরক্ষিত থাকা এসব শেয়ার বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
যোগাযোগ করা হলে নূর ইসলাম বলেন, ‘কোম্পানির সাসপেন্স হিসাব থেকে ২১ হাজার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে। কিন্তু তার সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। কোম্পানির শেয়ার বিভাগের কর্মকর্তা আবদুল আলীমই এসব শেয়ার বিক্রি করেছেন।’
ডিএসইর তদন্ত দলের কাছে কেন লিখিত স্বীকারোক্তি দিয়েছেন, জানতে চাইলে ডিএসইর লোকজন জোর করে তাঁর কাছ থেকে এ স্বীকারোক্তি আদায় করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। নূর ইসলাম জানান, তিনি বর্তমানে কোম্পানি সচিবের দায়িত্বে নেই। তবে কোম্পানির সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ রয়েছে।
মূল্য সংবেদনশীল তথ্য-প্রতারণা: ২০০৯ সালের ১২ এপ্রিল কোম্পানির পক্ষ থেকে মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করে জানানো হয়, পরিচালনা পরিষদের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোম্পানি সমুদ্রগামী চারটি ট্রলার কিনবে, যা মাছ ধরা, প্রক্রিয়াজাত করা ও রপ্তানির কাজে ব্যবহার করা হবে। এমন তথ্য প্রকাশের পরদিন ১৩ এপ্রিল ডিএসই কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন স্থগিত করে দেয়। চারটি সমুদ্রগামী ট্রলার কেনার বিস্তারিত তথ্য জানতে চেয়ে কোম্পানিকে চিঠি দেয় ডিএসই। চিঠির জবাবে ২৭ এপ্রিল কোম্পানি জানায়, চারটি ট্রলার কিনতে ৬০ কোটি টাকা খরচ হবে। এ জন্য কৃষি ব্যাংকে ঋণ আবেদন করা হয়েছে, যা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ওই দিনই ডিএসইর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, কোম্পানির প্রায় ১০ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে, যার কারণে কোম্পানিটিকে নতুন করে চারটি ট্রলার কেনার ঋণের অনুমোদন দেওয়া হয়নি।
এ ছাড়া কোম্পানি সচিব নূর ইসলাম এক চিঠি দিয়ে ডিএসইকে জানান, দেশের শীর্ষস্থানীয় চিংড়ি ও মাছ রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মেঘনা সি ফুডস লিমিটেড ও তার দুটি কারখানা অধিগ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহযোগিতায় বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগের প্রাথমিক প্রস্তুতিও কোম্পানি শুরু করেছে। যদিও এসব ব্যবসায়িক পরিকল্পনার বিষয়ে কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের সভায় কোনো ধরনের আলোচনাই হয়নি। কোম্পানিটির এসব তথ্য ডিএসই কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেনি।
কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। পরে নূর ইসলাম জানান, তিনি দেশের বাইরে রয়েছেন। আর চেয়ারম্যানকে টেলিফোনে পাওয়া যায়নি।
এসব মূল্য সংবেদনশীল তথ্য শেয়ারের দর বাড়ানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রেখেছে। শেয়ারটির অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে ২০০৯ সালের ২৩ এপ্রিল এসইসিও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। দাম বাড়ানোর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ডিএসইর সদস্য ব্রোকারেজ হাউস আরাফাত সিকিউরিটিজ, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এবং অনুমোদিত প্রতিনিধি মজিবুর রহমানকে পৃথকভাবে মোট ৫১ লাখ টাকা জরিমানা করে এসইসি।
২০০৬ ও ২০০৭ সালে কোম্পানিটি কোনো লভ্যাংশ দিতে পারেনি। অথচ পরের তিন বছর যথাক্রমে ১০, ১২ এবং ১৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার ঘোষণা করা হয়।

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More